আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে হলে কি সন্তানের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ে?

আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও দক্ষিণ এশিয়ায় মধ্যে খুব সাধারন একটি বিষয়। বিশ্বের প্রায় এক বিলিয়ন জনগোষ্ঠীতে আত্মীয়ের মধ্যে বিবাহের প্রচলন রয়েছে। এই সব জনগোষ্ঠীতে প্রতি চারটি বিয়ের একটি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের মধ্যে হয়ে থাকে। এই ধরনের বিয়ের প্রবণতা শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বেশি হয় এবং এর মধ্যে বাল্যবিবাহের আধিক্যও বেশি।

ফার্স্ট ডিগ্রি রিলেটিভ (আপন চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোন) বা সেকেন্ড ডিগ্রি রিলেটিভ (বাবা বা মায়ের চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইবোন) এর মধ্যে বিয়ে অনেক সময় সন্তানের মধ্যে নানা বংশগত রোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। মূলত জিনবাহিত বংশধারার রোগগুলোর এই ধরনের সন্তানদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

এছাড়ও যেসব ঝুঁকি বাড়ে তা হলো:

১। গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব বা প্রথম বছর বয়সে শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু।

২।যথাযথভাবে গর্ভে শিশু বৃদ্ধি না হওয়া বা শারীরিক ত্রুটিসংবলিত শিশুর জন্ম।

৩। বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা বা শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি প্রতিবন্ধিতা, মৃগী রোগ।

৪। রক্তের বিভিন্ন ধররেন রোগ যেমন সিকেল সেল ডিজিজ, বিটা থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি …

সব ক্ষেত্রেই যে এমনটা হয় তা নয় কিন্তু যেসব পরিবারে এই ধরনের সমস্যার ইতিহাস আছে, সেখানে আত্মীয় বিয়ের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।