যে নিয়মে এক নিমিষেই ডেঙ্গু ভাল করা যায়

চারিদিকে যখন ডেঙ্গুর প্রকোপ তখন সবার আগে আপনাকে জানতে হব যে এই ডেঙ্গু প্রতিরোধে আপনাকে কি কি করতে হবে। কারন শুধুমাত্র পানি জমতে না দিলে বা বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখালেই যে আপনি ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে পারবেন তা কিন্তু মোটেও নয়।

আপনাকে সব সময় মনে রাখতে হবে যে চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাস আছে, এগুলো হলো ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। উচ্চ মাত্রায় জ্বর ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষন, এই উচ্চ মাত্রায় জ্বর প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যায় এবং রক্তক্ষরণসহ নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি আপনার জ্বর যদি দুই একদিন পর কমে আসে তাহলে মোটেও মনে করবেন না যে আপনি ডেঙ্গু মুক্ত বা আপনার ডেঙ্গু হয় নি। অনেক সময় জ্বর কমে যাওয়ার পরবর্তী কিছুদিন পরে নানা ভয়াবহ জটিলতা তৈরি হয়। তাই এই সময় আপনার হালকা জ্বর মনে হলেও ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

নিয়মিত নিম-সিট্রোনেলা তেল ব্যবহার করুন, এই তেল নিমের তেল ও এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল ১:১ অনুপাতে তৈরি। আপনি চাইলে বাসায় বানিয়ে নিতে পারেন বা বাজার থেকে কিনেও ব্যবহার করতে পারেন। এইটি আপনার শরীরের মালিশ করতে পারেন বা কাপড়ে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এইটি যে কোন ধরনের মশা কে আপনার থেকে দূরে রাখে।

দিনের বেলায় মশা কামড়াবে না এমনটি চিন্তা করবেন না কারন এই এডিস মশা দিনে কামড়ায়। আর যেহুতু দিনের বেলায় মশারী সব সময় ব্যাবহার করা যায় না তাই কয়েল বা স্প্রে ব্যাবহার করুন।

হালকা জ্বর মনে হলে ডেঙ্গু হলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ওষুধ খাওয়া যাবে না। এই সময় তরল জাতীয় খাবার বার বার খেতে হবে, এছারাও পেপে পাতার রসও খেতে পারেন এতে প্লাটিলেট কাউন্ট কমে আসতে পারে না।

যাদের বাসায় ছোট বাচ্চার জন্য কয়েল বা স্প্রে ব্যাবহার করতে পারেন না তারা কয়েক কোয়া রসুন নিয়ে থেঁতো করে তিন কাপ পানির সাথে ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে তা ঠান্ডা করে ঘরের কোণে কোণে স্প্রে করে দিন।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।