কোনো একটি গুণ দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রেমে পড়া। তারপর মনের কথাটি তাকে জানানো। এরপর প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো। কিন্তু পরবর্তীতে তার নানা আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে সম্পর্ক ভেঙে দেয়ার ঘটনা বিরল নয়। বরং আশপাশে চোখ বুলালেই এমন চিত্র দেখতে পাবেন।

একজন মানুষ কখনোই পুরোপুরি অন্য একজনের মনের মতো হয় না। আমাদের কিছু আকর্ষণীয় দিক যেমন অন্যকে কাছে টানে, তেমনই বিরক্তিকর কিছু দিক আবার দূরে সরিয়ে দিতে পারে। গবেষণা বলছে, এই পাঁচ ধরনের ছেলেকে মেয়েরা প্রেমিক হিসেবে একদমই পছন্দ করে না। জেনে নিন-

হিংসুটে: হিংসুটে মানুষকে কেউ পছন্দ করবে না, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রেমিক হিংসুটে কি-না তা প্রথমদিকে বোঝা সম্ভব হয় না। কারণ সম্পর্কে জড়ানোর পর তাদের এই রূপটি ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। প্রেমিকার সঙ্গে অন্য কেউ কথা বললে সে তা মেনে নিতে পারে না। এমনকী পথ চলার সময় কেউ তার প্রেমিকার দিকে তাকালেও রেগে যান। ছেলে তো দূরে থাক, প্রেমিকার বান্ধবীদেরও সহ্য হয় না তার। প্রেমিকাকে নিজের কুক্ষিগত করে নিজের মতো পরিচালনা করতে ভালোবাসেন। আর এই ধরনের প্রেমিকই মেয়েদের অপছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে।

নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা প্রেমিক: এদের স্বভাবও অনেকটা হিংসুটে প্রেমিকের মতোই। এদের সব সময় শুধু এটাই মনে হতে থাকে যে, এই বুঝি প্রেমটা ভেঙে গেল! এই বুঝি প্রেমিকা অন্য কারও হয়ে গেল! এমনকী প্রেমিকা যদি অনলাইনে আসতে দেরি করি বা মেসেজের উত্তর দেরিতে দেয়, তখনও এরা আশঙ্কায় ভুগতে থাকে।

অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ: আবেগ ছাড়া ভালোবাসা হয় না। প্রেমের সম্পর্কে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সবকিছুতেই পরিমিতিবোধ থাকা জরুরি। কারণ অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো নয়। তাই যেসব প্রেমিকের আবেগের ভাণ্ডার সব সময় উপচে পড়ে, তাদের প্রতি প্রেমিকার একটি বিরক্তবোধ চলে আসে। এরা পাবলিক প্লেসেই কান্নাকাটি করতে পারে, ব্রেকআপ হলেও মেনে নিতে পারে না!

অতিরিক্ত বাস্তববাদী: আগেই লিখেছি, অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো নয়। অতিরিক্ত আবেগের মতো অতিরিক্ত বাস্তববাদী হওয়াটাও তাই বেমানান। কারণ একজন অতিরিক্ত বাস্তববাদী প্রেমিক সব কিছুতেই হিসাব কষে চলতে চান। কিন্তু জীবন সব সময় হিসাব মেনে চলে না। এ ধরনের প্রেমিকের মনে কোনো আবেগ থাকে না। তাই এদেরকে একপ্রকার স্বার্থপরও বলা চলে। প্রেমিকা যেসব ছোট ছোট বিষয়ে খুশি হন, যেমন ছোট্ট কোনো উপহার বা একটি লাল গোলাপ, এসব তাদের কাছে অযৌক্তিক বলে মনে হয়!

দায়িত্বজ্ঞানহীন: একজন প্রেমিক তার দায়িত্ব পালনে কতটা সচেতন, সেটি মেয়েরা সব সময় পর্যবেক্ষণ করেন। প্রেমিকের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা মেয়েরা মানতে পারেন না। কারণ প্রেমিক থেকে স্বামী হওয়ার পরেও এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বজায় থাকলে তখন তার সঙ্গে জীবন কাটানো মুশকিল হয়ে পড়ে।