ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলায় ঘটনার পর নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন যে ভূমিকা রেখেছেন তার প্রশংসা এখন বিশ্বজুড়ে। তিনি মুসলিম ধর্মের অনুসারী না হয়েও নিউজিল্যান্ডের হামলায় নিহত মুসল্লিদের পরিবারের জন্য যা করেছেন তা সবাই কে অবাক করেছে।

গত ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের আল নূর ও লিনউড মসজিদে হামলা চালায় ব্রেন্টন টারান্ট। এই হামলায় ৫০ জন মুসল্লি নিহত হন এবং ৪০ জনের বেশি লোক আহত হন। এই হামলায় পর পুরো বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝর উঠে। ফেসবুকে শেয়ার হতে থাকে লাখ লাখ ভিডিও ক্লিপ।

এরপর এই ক্লিপ গুলো ফেসবুক থেকে অপসারণ করার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডান আহ্বান জানান ও ফেসবুক ২৪ ঘন্টায় ১৫ লাখ ভিডিও তাদের সাইট থেকে অপসারণ করেছে। এই আহ্বান জানানোর পেছনে তার একটি মাত্র উদ্দেশ্য, তিনি চান যে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে থাকুক যাতে ও তারা নিহতদের পরিবারের সাহায্য সহযোগিতা করার কাজ শুরু করতে পারেন।

তিনি নিহতদের লাশ তাদের সরকারী খরছে নিজ নিজ দেশে পোঁছে দেবার ব্যাবস্থা করেন। তিনি সেই সাথে নিহতদের পরিবারেরও দায়িত্ব নেবারও প্রতিশ্রুতি জানান।এছাড়া তাদের দেশে ওই হামলাকারীর নাম কখনো কেউ মুখে নিবেননা বলেও অঙ্গীকার করেন।

হামলায় নিহতদের স্মরণে ও শ্রদ্ধা জানাতে গত শুক্রবার ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ও আল নূর মসজিদ থেকে সরাসরি নামাজ রেডিও ও টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়।

সম্প্রতি জাসিন্ডাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়ার জন্য চেঞ্জ.ওআরজি ও আভাজ.ওআরজি নামের দুইটি ওয়েবসাইটে হাজারো আবেদনকারীর আবেদন জমা করেছে।