সম্পুর্ণ প্রাকৃতিকভাবে ৩ গুণ ফর্সা হোন

সুন্দর ও ফর্সা ত্বক কেনা চায়? আর এই সুন্দর ও ফর্সা ত্বক পেতে আমরা অনেক কসমেটিক পন্য ব্যবহার করে থাকি, যা পুরোটাই কেমিক্যাল। এগুলো কিছু সময়ের জন্য ত্বক ফর্সা করলেও, এগুলো ব্যবহারে ত্বকে ব্রণসহ নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তাই ত্বকে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা উচিত, কারণ এতে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় না। দেখে নেওয়া যাক, কি কি প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ২-৩ গুণ ফর্সা করা যায়। এই পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করলে শুধু ত্বকই ফর্সা হবে না, এতে আপনার ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন অর্থাৎ ব্রণ, মেছতা ও রোদের পোড়া কালো দাগছোপও দূর করবে।

উপায়ঃ১

প্রথমে একটি বাটিতে ১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ হলুদ গুড়া ও ১ চা চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি ৫ মিনিট ধরে আলতো ভাবে ত্বক্ব স্ক্রাব করতে হবে। এটা ত্বককে ভালভাবে পরিষ্কার করবে। এবার পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন।

এরপর ১ চা চামচ চালের গুড়া, ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ গোলাপজল ভালকরে মিশিয়ে পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে রাখতে হবে। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা সপ্তাহে ২ দিন করে নিয়মিত করলে ত্বক হবে ২ গুনের থেকেও বেশি ফর্সা।

উপায়ঃ২

প্রথমে ২ চা চামচ আলুর রস ও ২-৩ ফোটা লেবুর রস একসাথে একটি বাটিতে নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে ক্লিঞ্জার তৈরী করে তুলার সাহায্যে ত্বক ভালভাবে পরিষ্কার করে নিন।

এরপর ১ চা চামচ চালের গুড়া, ১ চা চামচ আলুর রস, ২ চা চামচ কাঁচা দুধ দিয়ে মিক্স করে, মিশ্রণটি ত্বকে ১০ মিনিট ধরে স্ক্রাব করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

এরপর ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল, ১ চা চামচ আলুর রস, ১ চা চামচ কাঁচা দুধ ১০ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।

এবার ১ চা চামচ মুলতানী মাটি, ১ চা চামচ চালের গুড়া, ১ চা চামচ আলুর রস একসাথে মিশিয়ে মিশ্রণটি ত্বকে মেখে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে ২ দিন করলে ত্বক ৩ গুণ ফর্সা করা সম্ভব।

উপায়ঃ৩

১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু ও একটি ডিমের সাদা অংশ ১ চা চামচ একসাথে মিশিয়ে এর সাথে ২ চামচ বেসন নিয়ে পেস্ট তৈরী করে ৫ মিনিট ধরে ঘষে ঘষে ত্বকে লাগিয়ে রেখে দিন। ১ ঘন্টা পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটা নিয়িমিত ত্বকে করলে ত্বক নিশ্চিত ফর্সা হবে।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।